xe66 শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম নয়—এটা লাখো বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের বিশ্বাসের জায়গা। আমরা কারা, কেন এই পথে এলাম এবং আপনার জন্য কী করতে চাই—সব কিছু এখানে আছে।
xe66 একটি আন্তর্জাতিক লাইসেন্সধারী অনলাইন গেমিং ও স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম, যেটা বিশেষভাবে বাংলাদেশের বাজারের কথা মাথায় রেখে গড়ে উঠেছে। আমাদের মূল দলে আছেন প্রযুক্তি, গেমিং ও আর্থিক সেবার অভিজ্ঞ পেশাদাররা—যারা বুঝতে পেরেছেন যে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা কতটা আলাদা চাহিদা নিয়ে আসেন।
অনেক গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে আসে, কিন্তু স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করে না, বাংলায় কথা বলতে পারে না, আর বাংলাদেশের ক্রিকেটের খবরও রাখে না। xe66 সেই ফাঁকটা পূরণ করতে এসেছে। বিকাশ, নগদ, রকেট—আমাদের কাছে এগুলো শুধু পেমেন্ট মেথড নয়, বাংলাদেশিদের জীবনের অংশ।
আমরা বিশ্বাস করি যে মানসম্পন্ন গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়া সবার অধিকার—শুধু বড় শহরের মানুষের নয়। তাই xe66 মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনে তৈরি, যাতে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট, ময়মনসিংহ থেকে খুলনা—সব জায়গা থেকে সমান স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়কে একটা নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া—যেখানে তাদের টাকা সুরক্ষিত, তাদের ভাষায় কথা বলা যায় এবং তাদের খেলার ধরনের সাথে মানানসই বাজার পাওয়া যায়।
— xe66 প্রতিষ্ঠাতা দল
ছয়টি কারণ যেগুলো xe66-কে বাংলাদেশে অনন্য করে তোলে
বাংলাদেশ দলের প্রতিটি ম্যাচ, বিপিএল, এশিয়া কাপ—সব বড় টুর্নামেন্টে বিশেষ অড্স এবং প্রমোশনাল অফার। xe66 জানে বাংলাদেশিদের কাছে ক্রিকেট মানে শুধু খেলা নয়, আবেগ।
বিকাশ, নগদ, রকেট এবং প্রধান ব্যাংক ট্রান্সফার—সব পেমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করে। জমা তাৎক্ষণিক, উইথড্র সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টায়। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
256-bit SSL এনক্রিপশন, দুই স্তরের যাচাইকরণ (2FA) এবং তৃতীয় পক্ষের নিয়মিত অডিট নিশ্চিত করে যে আপনার অ্যাকাউন্ট ও তহবিল সবসময় সুরক্ষিত।
xe66 অ্যাপ যেকোনো Android ফোনে সুচারুভাবে চলে। ধীর ইন্টারনেটেও গেম লোড হয়, ব্যাটারি কম খরচ হয়। মাঠে বসেও মিস করবেন না একটা বলও।
স্বাগত বোনাস থেকে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক—সব অফারের শর্ত পরিষ্কার বাংলায় লেখা। কোনো ছোট অক্ষরের ফাঁদ নেই, কোনো অযৌক্তিক ওয়েজারিং দাবি নেই।
লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলুন, প্রশ্ন করুন। আমাদের সাপোর্ট টিম প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রস্তুত। VIP সদস্যদের জন্য ডেডিকেটেড ম্যানেজারও আছেন।
একটা ছোট দলের স্বপ্ন থেকে শুরু হয়েছিল xe66-এর গল্প। ২০২০ সালে যখন এই প্ল্যাটফর্ম চালু হয়, তখন মাত্র কয়েক হাজার সদস্য ছিলেন। কিন্তু কথায় কথায়, মানুষে মানুষে—খবর ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি।
আমাদের দল বিশ্বাস করত যে বাংলাদেশের মানুষ ভালো জিনিসের মূল্য বোঝেন। তাই শুরু থেকেই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে, নিরাপত্তায় আপস করা হয়নি এবং ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই চারটি নীতি আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রাখি। পেআউট থেকে শুরু করে সাপোর্ট—কথা আর কাজে মিল থাকে সবসময়।
বোনাসের শর্ত, ফি কাঠামো, উইথড্র নিয়ম—সব কিছু পরিষ্কার ভাষায় লেখা থাকে।
আপনার ডেটা ও অর্থ রক্ষা করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো আপসের প্রশ্নই নেই।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ে আমরা বিশ্বাসী। লিমিট সেট করার সুবিধা থেকে শুরু করে সচেতনতামূলক তথ্য—সব সময় পাশে আছি।
অভিজ্ঞ পেশাদারদের একটা দল—যারা গেমিং ভালোবাসেন এবং বাংলাদেশকে ভালো চেনেন
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন।
সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। xe66-এর নিরাপত্তা কাঠামো তার নেতৃত্বে তৈরি। লন্ডনের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি।
অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের পছন্দ ও আচরণ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান।
৫০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ভাষায় সেরা সেবা দেওয়াই তার লক্ষ্য।
xe66-এ আমরা বিশ্বাস করি আনন্দদায়ক গেমিং মানে দায়িত্বশীল গেমিং। আমাদের প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা আছে যেগুলো ব্যবহারকারীদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
আপনি চাইলে দৈনিক বা মাসিক জমার সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখতে পারবেন এবং নিজের বেটিং ইতিহাস বিশ্লেষণ করতে পারবেন। এগুলো শুধু বাধ্যবাধকতা নয়—আমাদের মূল দর্শনের অংশ।
xe66-এ গেমিং মানে বিনোদন, আয়ের একমাত্র উৎস নয়। এই কথাটা আমরা প্রতিটি নতুন সদস্যকে বলি এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।
পাঁচ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি খেলোয়াড় ইতিমধ্যে xe66 বেছে নিয়েছেন। এবার আপনার পালা—নিরাপদ, আনন্দদায়ক গেমিং অভিজ্ঞতা শুরু করুন আজই।
শুধুমাত্র ১৮+ বয়সীদের জন্য · দায়িত্বশীলভাবে খেলুন